বাংলা ভাষায় অন্তর্জালে লিখে প্রকাশ করতে পারি এই ভাবনা এলো বলে ফেসবুকে না লিখে ব্লগ খোলার ইচ্ছে থেকেই এখানে এভাবে এখন হাজির হওয়া। এই বধ্য জীবনের ভেতর থেকে বেরোনোর এটাও একটা রাস্তা হতে পারে ভেবেও বেশ একটা সুখানুভূতি জেগে উঠবার আয়োজন চলছে ভেতরে ভেতরে। রাস্তা ঘাটে বেরিয়ে আড্ডা দেওয়া বা লোকজনকে কাছে ডেকে মনের কথা বলা বা জোর করে কিছু শুনিয়ে দেওয়ার অবস্থা এখন আর নেই। যা পারো নিজের মধ্যে বলো, যা বলছো লোককে দেখানোর জন্য লোকের মুখের সামনে ইঁদুরের বেড়ালের খাবারের মতো রেখে দাও, লোকজন চেখে দেখতে পারে, না-চেখেও বলে দিতে পারে খুবই টেস্টফুল খাবার, বলেই নিচে নিজের নামটি স্বর্ণাক্ষরে খুদে রেখে যেতে কেউ ভুল করেন না, আমিও এমন করেছি দু'একবার, কারণ লেখক যিনি, এটা তাঁর খুবই দরকার, এতেই নির্ভর করে যে তিনি৷ কতো বড়ো লেখক হয়েছেন। কতজন দেখলেন লেখাটি কতজন বললেন কতজনের পছন্দ প্রকাশ পেল--- এইসব মিলিয়ে খ্যাতির জগতে অগ্রগতি ঘটে। সবই সংখ্যাতত্ত্ব-নির্ভর।
দেবাশিস ভট্টাচার্য।
খুবই ভালো।
ReplyDeleteসঠিক ভাবনা।ভালো লাগল।শুভেচ্ছা।
ReplyDeleteযযাতি দেবল