Thursday, June 25, 2020

এখন যেমন


এখন সব কাজই চলছে, শুরু হয়েছে উৎসব অনুষ্ঠানও। গত তিন মাসে মানুষ সম্মিলিত সমারোহে মেতে উঠতে পারে নি। দোল থেকে শুরু হয়েছিল সংযত হওয়া। এর মাঝে গেছে চৈত্র সংক্রান্তি শিবরাত্রি বাংলা নববর্ষ অক্ষয় তৃতীয়া।  এছাড়া নানা গ্রামের পাড়ার শহরের বিভিন্ন দেবদেবীর বাত্সরিক পূজা। বাড়ির মানসিক ও বাতসরিক পূজা অনুষ্ঠানও বন্ধ থেকেছে। ইদ কেটেছে ভয়ে এবং রথযাত্রায় রথের চাকাও থেকেছে বন্ধ। বাড়ির ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানগুলোও হয়নি। যেমন উপনয়ন, অন্নপ্রাশন হয়েছে নমো নমো করে, বিবাহ অনুষ্ঠানও বন্ধ থেকেছে। এর ফলে সামাজিকভাবেও মানুষ পিছিয়ে পড়লো। বিবাহ পিছিয়ে পড়ার ফলে নতুন যাদের পৃথিবীতে একটা সময়ে আসার কথা তারা আসতে পারলো না। আবার এই অসময়ে যাদের জন্মাবার কথা  ছিলো না, অনেক নাগরিক দম্পতি এই সময়ে সন্তানের পরিকল্পনা করেছেন, ছুটির দাক্ষিণ্যে।  প্রকৃতি যেমন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে তেমনি সামাজিকভাবে আমাদের এই অনগ্রসরতার ইতিহাসও লেখা থাকবে। অর্থনৈতিকভাবেও যাঁরা স্বনির্ভর হয়ে উঠেছিলেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে তাঁরাও বিচ্ছিন্ন হয়ে পরনির্ভর হয়ে পড়েছেন। জীবনের উৎসাহেও নেমে এসেছে ভাঁটা। সবকিছুই নতুন করে শুরু করতে হবে। আসবে এক সংস্কারের যুগ। নতুন করে শুরু করবার সময়। এবং এই নতুনের পুরোটাই হতে চলেছে অন্তর্জালনির্ভর। সবচেয়ে প্রভাবিত হয়েছেন ষাটোর্ধ্ব ব্যাক্তিরা। বেশি মৃত্যু এবং অসহায় অবস্থা তাদের। নাগরিকদের মধ্যে মানসিক বৈকল্যের সংখ্যাও অনেক। সহজ জীবনযাত্রা হয়তো আর ফিরবে না। একটা বিরাট বদল আসতে চলেছে করোনার পথ ধরে।

দেবাশিস ভট্টাচার্য।                                          

Wednesday, June 24, 2020

প্রথম কথা


বাংলা ভাষায় অন্তর্জালে লিখে প্রকাশ করতে পারি এই ভাবনা এলো বলে ফেসবুকে না লিখে ব্লগ খোলার ইচ্ছে থেকেই এখানে এভাবে এখন হাজির হওয়া। এই বধ্য জীবনের ভেতর থেকে বেরোনোর এটাও একটা রাস্তা হতে পারে ভেবেও বেশ একটা সুখানুভূতি জেগে উঠবার আয়োজন চলছে ভেতরে ভেতরে। রাস্তা ঘাটে বেরিয়ে আড্ডা দেওয়া বা লোকজনকে কাছে ডেকে মনের কথা বলা বা জোর করে কিছু শুনিয়ে দেওয়ার অবস্থা এখন আর নেই। যা পারো নিজের মধ্যে বলো, যা বলছো লোককে দেখানোর জন্য লোকের মুখের সামনে ইঁদুরের বেড়ালের খাবারের মতো রেখে দাও, লোকজন চেখে দেখতে পারে,  না-চেখেও বলে দিতে পারে খুবই টেস্টফুল খাবার, বলেই নিচে নিজের নামটি স্বর্ণাক্ষরে খুদে রেখে যেতে কেউ ভুল করেন না, আমিও এমন করেছি দু'একবার,  কারণ লেখক যিনি, এটা তাঁর খুবই দরকার,  এতেই নির্ভর করে যে তিনি৷ কতো বড়ো লেখক হয়েছেন। কতজন দেখলেন লেখাটি কতজন বললেন কতজনের পছন্দ প্রকাশ পেল--- এইসব মিলিয়ে খ্যাতির জগতে অগ্রগতি ঘটে। সবই সংখ্যাতত্ত্ব-নির্ভর।     
দেবাশিস ভট্টাচার্য।                                 

স্বাগত

নতুন ব্লগে সকলেই স্বাগত।